শীতের থেকে বাঁচতে'
তপন কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
এমনি এক শীতেরদিনে, একটু রাত্রি করে,
একা একা ফিরছিলাম পাড়ার পথটি ধরে।
হঠাৎ শুনি পথের ধারে আস্তাকুড়ের পাশে,
বিড়াল কুকুর ছানার কান্না আসছে জানি ভেসে।
আওয়াজ শুনে এগুই আমি সেদিক পানে,
আওয়াজটা স্পষ্ট তখন হয় আমার কানে।
চেয়েদেখি দুটি কুকুর আর দুটি বিড়াল ছানা,
একত্রে শুয়ে আছে আলাদা করা যায়না।
শীতের প্রকোপে তারা কাঁপছে থর থর,
তাইতো তারা একত্রে রয়েছে জড়সড়।
দেখে হোলো কষ্ট ভীষন,কিযে এখন করি?
এখান থেকে দু কিলোমিটার দূরে আমার বাড়ি।
বর্ত্তমানে বাড়িতে আমার বারোটি বিড়াল ছানা,
আর একটি ও বাড়ানোয় আছে কঠিন মানা।
এই বারোটাই নিয়ে বাড়ির সকলেই ব্যস্ত,
একটিও না বাড়ে তাই সদাই সন্ত্রস্ত।
এদেরকেই টিকিয়ে রাখতে যাতনা গেছে ভারী,
রোগ ভোগ, ডাক্তার ওষুধ, চিকিতসা আছে তারি।
দুবছর আগে বড় বিড়ালের প্রাণটুকু বাঁচাতে,
ন হাজার টাকা লেগেছিলো পারা যায় ভাবতে?
কোনদিন ই কোনো প্রাণী পুষতে মোরা চাইনি,
এটা যে এমন কপালে জুটবে কখনও তা ভাবিনি।
তার পরের ঘটনা সে অনেক ইতিহাস,
সব বলার আজকে নেইকো অবকাশ ।
শীতের থেকে ছানা গুলোকে বাঁচানোর উপায়?
একটা কিছু চাপাতো চাই যা ঢাকা দেওয়া যায়?
অন্য কিছু না পেয়ে গায়ের পাঞ্জাবী পুরানো,
তাই দিয়ে হোলো ভালো ওদেরকে জড়ানো।
গায়ে ঢাকা চাদর ছিলো তাই কেউ দেখেনি,
চুপি চুপি ঘরে ফিরি বেঁচে গেলো বকুনি।
সারারাত ঘুম নেই ছানা গুলো কি বাঁচলো?
নাকি রাতে শীতেতে সবগুলি মরলো?
আজ অবধি জানেনা কেঊ এ কাহিনী,
কখনও কাঊকে আমি এ কথা বলিনি।
পরদিন সকালেতে গিয়াছিনু খুঁজতে,
চারপাশ খুঁজেও আমি পাইনি দেখিতে।
পাঞ্জাবীটা বা ছানাগুলো কেঊ সেথা ছিলোনা,
আজবধি পাই নাই তাহাদের ঠিকানা।


বিড়াল ছানার জন্য' তপন কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
মনে পড়ে বছর তিনেক আগে এমনি একদিনে,
ফুটফুটে সাদা বিড়াল ছানা ছিলো বাড়ির উঠানে।
মেয়ে তাকে যত্ন ভরে,দুই হাতে কোলে করে,
সিঁড়ির তলায় এনে লুকিয়ে রাখে,
চুপি চুপি ডেকে তারে, দুধ খাওয়াতো চামচ করে।
মাঝে মাঝেই দেখতো গিয়ে তাকে।
ঘরের ভিতর আনতে ভয়,কেউ যদি অসন্তুষ্ট হয়,
আমরা পশু পাখী পুষিনা,
বিড়াল ঘরে ঢুকলে পড়ে,অনেক কিছু অনিষ্ট করে,
তাই বিড়াল পছন্দ করেনা।
কিন্তু এটাই ক্রমে ক্রমে, সবার ভালো লাগলো মনে,
সবার ই খুউব প্রিয় হয়ে গেলো,
এরমাস ছয়েক পরে , তিনটি বাচ্চা দিলো ঘরে,
বাচ্চাগুলো মাসচারেকের হোলো।
বাড়ির ই থাকে চারপাশে, ঘুরে ঘুরে ঘরে আসে,
খায়দায় বাড়িতেই থাকে।
হঠাৎ একদিন রাত্রি থেকে,কাঊকে পাইনা ডেকে ডেকে।
পাড়ায় সর্বত্র খুঁজি ফিরি তাকে।
দিন দুয়েক বাদে দেখি,দুটি বাচ্চা ডাকছে নাকি,
মৃত প্রায় পাঁচিলের ধারে।
কোন ক্রমে তুলে আনি,ডাক্তার ডাকি তক্ষুনি।
পেটে বাচ্ছা ওদের গেছে মরে।
বহুডাক্তারওষুধ সেবা করে,বাঁচানো গেলোনা যেরে,
দুটি বাচ্চাই গেলো মরে।
তৃতীয় বাচ্চাটি ছিলো ভালো, মা টাকেও পাওয়া গেলো,
মরনাপন্ন পাঁচিলের ই ধারে।
ডাক্তার এসে দেখলো তাকে,বোল্লেন কেঊ মেরেছে একে,
এর পেটেওবাচ্চা গেছে মরে।
এক্ষুনি অপারেশন কোরতে হবে,বিড়াল টা বাঁচবে তবে,
এখানে তার ব্যবস্থা নেই যেরে।
বোলেরো গাড়িতে করে, কোলকাতায় পাঠালাম তারে,
স্যালাইন ডাক্তার সাথে।
নার্সিংহোমে অপারেশন হোলো,স্যালাইন ওষুধ চললো,
একটি মাস ডাক্তার দিনে রাতে।
এখন সব আছে ভালো,
একটি থেকে এত গুলো।
এমনি এক শীতেরদিনে, একটু রাত্রি করে,
একা একা ফিরছিলাম পাড়ার পথটি ধরে।
হঠাৎ শুনি পথের ধারে আস্তাকুড়ের পাশে,
বিড়াল কুকুর ছানার কান্না আসছে জানি ভেসে।
আওয়াজ শুনে এগুই আমি সেদিক পানে,
আওয়াজটা স্পষ্ট তখন হয় আমার কানে।
চেয়েদেখি দুটি কুকুর আর দুটি বিড়াল ছানা,
একত্রে শুয়ে আছে আলাদা করা যায়না।
শীতের প্রকোপে তারা কাঁপছে থর থর,
তাইতো তারা একত্রে রয়েছে জড়সড়।
দেখে হোলো কষ্ট ভীষন,কিযে এখন করি?
এখান থেকে দু কিলোমিটার দূরে আমার বাড়ি।
বর্ত্তমানে বাড়িতে আমার বারোটি বিড়াল ছানা,
আর একটি ও বাড়ানোয় আছে কঠিন মানা।
এই বারোটাই নিয়ে বাড়ির সকলেই ব্যস্ত,
একটিও না বাড়ে তাই সদাই সন্ত্রস্ত।
এদেরকেই টিকিয়ে রাখতে যাতনা গেছে ভারী,
রোগ ভোগ, ডাক্তার ওষুধ, চিকিতসা আছে তারি।
দুবছর আগে বড় বিড়ালের প্রাণটুকু বাঁচাতে,
ন হাজার টাকা লেগেছিলো পারা যায় ভাবতে?
কোনদিন ই কোনো প্রাণী পুষতে মোরা চাইনি,
এটা যে এমন কপালে জুটবে কখনও তা ভাবিনি।
তার পরের ঘটনা সে অনেক ইতিহাস,
সব বলার আজকে নেইকো অবকাশ ।
শীতের থেকে ছানা গুলোকে বাঁচানোর উপায়?
একটা কিছু চাপাতো চাই যা ঢাকা দেওয়া যায়?
অন্য কিছু না পেয়ে গায়ের পাঞ্জাবী পুরানো,
তাই দিয়ে হোলো ভালো ওদেরকে জড়ানো।
গায়ে ঢাকা চাদর ছিলো তাই কেউ দেখেনি,
চুপি চুপি ঘরে ফিরি বেঁচে গেলো বকুনি।
সারারাত ঘুম নেই ছানা গুলো কি বাঁচলো?
নাকি রাতে শীতেতে সবগুলি মরলো?
আজ অবধি জানেনা কেঊ এ কাহিনী,
কখনও কাঊকে আমি এ কথা বলিনি।
পরদিন সকালেতে গিয়াছিনু খুঁজতে,
চারপাশ খুঁজেও আমি পাইনি দেখিতে।
পাঞ্জাবীটা বা ছানাগুলো কেঊ সেথা ছিলোনা,
আজবধি পাই নাই তাহাদের ঠিকানা।


বিড়াল ছানার জন্য' তপন কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
মনে পড়ে বছর তিনেক আগে এমনি একদিনে,
ফুটফুটে সাদা বিড়াল ছানা ছিলো বাড়ির উঠানে।
মেয়ে তাকে যত্ন ভরে,দুই হাতে কোলে করে,
সিঁড়ির তলায় এনে লুকিয়ে রাখে,
চুপি চুপি ডেকে তারে, দুধ খাওয়াতো চামচ করে।
মাঝে মাঝেই দেখতো গিয়ে তাকে।
ঘরের ভিতর আনতে ভয়,কেউ যদি অসন্তুষ্ট হয়,
আমরা পশু পাখী পুষিনা,
বিড়াল ঘরে ঢুকলে পড়ে,অনেক কিছু অনিষ্ট করে,
তাই বিড়াল পছন্দ করেনা।
কিন্তু এটাই ক্রমে ক্রমে, সবার ভালো লাগলো মনে,
সবার ই খুউব প্রিয় হয়ে গেলো,
এরমাস ছয়েক পরে , তিনটি বাচ্চা দিলো ঘরে,
বাচ্চাগুলো মাসচারেকের হোলো।
বাড়ির ই থাকে চারপাশে, ঘুরে ঘুরে ঘরে আসে,
খায়দায় বাড়িতেই থাকে।
হঠাৎ একদিন রাত্রি থেকে,কাঊকে পাইনা ডেকে ডেকে।
পাড়ায় সর্বত্র খুঁজি ফিরি তাকে।
দিন দুয়েক বাদে দেখি,দুটি বাচ্চা ডাকছে নাকি,
মৃত প্রায় পাঁচিলের ধারে।
কোন ক্রমে তুলে আনি,ডাক্তার ডাকি তক্ষুনি।
পেটে বাচ্ছা ওদের গেছে মরে।
বহুডাক্তারওষুধ সেবা করে,বাঁচানো গেলোনা যেরে,
দুটি বাচ্চাই গেলো মরে।
তৃতীয় বাচ্চাটি ছিলো ভালো, মা টাকেও পাওয়া গেলো,
মরনাপন্ন পাঁচিলের ই ধারে।
ডাক্তার এসে দেখলো তাকে,বোল্লেন কেঊ মেরেছে একে,
এর পেটেওবাচ্চা গেছে মরে।
এক্ষুনি অপারেশন কোরতে হবে,বিড়াল টা বাঁচবে তবে,
এখানে তার ব্যবস্থা নেই যেরে।
বোলেরো গাড়িতে করে, কোলকাতায় পাঠালাম তারে,
স্যালাইন ডাক্তার সাথে।
নার্সিংহোমে অপারেশন হোলো,স্যালাইন ওষুধ চললো,
একটি মাস ডাক্তার দিনে রাতে।
এখন সব আছে ভালো,
একটি থেকে এত গুলো।

No comments:
Post a Comment