প্রতিভাধর
' তপন কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
দেখো এইপড়ায় আমি কত বড় প্রতিভাধর,
মাথায় যাকিছু আসে লিখে ফেলি ঝড় ঝড়।
মোর মত বহুমুখী , প্রতিভাবান দেখেছো?
আমার সব লেখা গুলি , তুমি কি পড়েছো ?
না জানলে দেখে নিও, গিয়ে মোর সাইটে,
পড়ে শুনে বুঝে নিয়ে তবে এসো ফাইটে।
দিশি সব ফালতু ,গোঁজামিলে মেলানো।
বিদেশী সাহিত্য পড়ে শেখেনি তা এখনো।
লেখা পড়ে মনে হয় নেই কোনো বাঁধুনী,
লেখার যে গ্রামার টা এরা কভু শেখেনি।
আমার নামের আগে পিছে দুপাতা ডিগ্রী
তোমার কি আছে দেখি টিকি না পাগড়ী?
আমার ধামা ধরার ফ্যান আছে কয়েক শো,
তুমি লেখা পড়া করে,করে নাও মকসো।
ভারিতো ছড়া লেখো ,গ্রামার তো জানোনা,
কবিতার মুল ধর্ম, সেটাই তো মানোনা।
নি ' তে নি' তে অন্ত মিল এসব চলেনা,
প্যান প্যানে লেখাতে মন আর ভরেনা।
আকাশ,বাতাস, ফুল , কি প্রণয়ের কাব্য,
আর কতো কাল বলো এ ভাবেই ভাববো?
উন্নত পাহাড় আর সমুদ্রের ভাষাতে,
শক্তিশালী আত্ম প্রকাশ বিদেশীর লেখাতে।
এই মতো লিখতে হবে তবেই হবে কবি,
ন ইলে নিতান্তই একদিন হয়ে যাবে ছবি।
দু ঘটি জল খেয়ে, সাগরের জল মাপছো?
আমি কতো জানি? কি আমায় ভাবছো ?
আমার অবাধ বিচরণ,কৃষ্টির জগতে,
কালজয়ী কাজ সব, দেখোনি কি চোখেতে?
জ্ঞাণগর্ভ লেখা ছাড়াও আছে কতো কাব্য,
আঁকা, লেখা, কবিতা,গান কোন কথাটা বোলবো?
তোমরা নেহাত ওল্ড হ্যাগার্ড তাই কিছু ভাবছি না,
আমার প্রতিভার বিকাশ, তার সাথে তুলো না?
এসো একদিন সময় করে বুঝিয়ে দেবো তত্ত্ব,
পুরানো যে কীর্তন গাও তায় আছে কত গর্ত।
নোবেল পাওয়াই উচিত ,সেটা ছাড় দিলাম ,
দেশের যেগুলো ছাত, তাই ধরলাম,
আমাকে জ্ঞাণাপীঠ এখনো কেনো দিলোনা,
হাজার ভেবেও কেউ উত্তরটা পেলো না।
দেখো এইপড়ায় আমি কত বড় প্রতিভাধর,
মাথায় যাকিছু আসে লিখে ফেলি ঝড় ঝড়।
মোর মত বহুমুখী , প্রতিভাবান দেখেছো?
আমার সব লেখা গুলি , তুমি কি পড়েছো ?
না জানলে দেখে নিও, গিয়ে মোর সাইটে,
পড়ে শুনে বুঝে নিয়ে তবে এসো ফাইটে।
দিশি সব ফালতু ,গোঁজামিলে মেলানো।
বিদেশী সাহিত্য পড়ে শেখেনি তা এখনো।
লেখা পড়ে মনে হয় নেই কোনো বাঁধুনী,
লেখার যে গ্রামার টা এরা কভু শেখেনি।
আমার নামের আগে পিছে দুপাতা ডিগ্রী
তোমার কি আছে দেখি টিকি না পাগড়ী?
আমার ধামা ধরার ফ্যান আছে কয়েক শো,
তুমি লেখা পড়া করে,করে নাও মকসো।
ভারিতো ছড়া লেখো ,গ্রামার তো জানোনা,
কবিতার মুল ধর্ম, সেটাই তো মানোনা।
নি ' তে নি' তে অন্ত মিল এসব চলেনা,
প্যান প্যানে লেখাতে মন আর ভরেনা।
আকাশ,বাতাস, ফুল , কি প্রণয়ের কাব্য,
আর কতো কাল বলো এ ভাবেই ভাববো?
উন্নত পাহাড় আর সমুদ্রের ভাষাতে,
শক্তিশালী আত্ম প্রকাশ বিদেশীর লেখাতে।
এই মতো লিখতে হবে তবেই হবে কবি,
ন ইলে নিতান্তই একদিন হয়ে যাবে ছবি।
দু ঘটি জল খেয়ে, সাগরের জল মাপছো?
আমি কতো জানি? কি আমায় ভাবছো ?
আমার অবাধ বিচরণ,কৃষ্টির জগতে,
কালজয়ী কাজ সব, দেখোনি কি চোখেতে?
জ্ঞাণগর্ভ লেখা ছাড়াও আছে কতো কাব্য,
আঁকা, লেখা, কবিতা,গান কোন কথাটা বোলবো?
তোমরা নেহাত ওল্ড হ্যাগার্ড তাই কিছু ভাবছি না,
আমার প্রতিভার বিকাশ, তার সাথে তুলো না?
এসো একদিন সময় করে বুঝিয়ে দেবো তত্ত্ব,
পুরানো যে কীর্তন গাও তায় আছে কত গর্ত।
নোবেল পাওয়াই উচিত ,সেটা ছাড় দিলাম ,
দেশের যেগুলো ছাত, তাই ধরলাম,
আমাকে জ্ঞাণাপীঠ এখনো কেনো দিলোনা,
হাজার ভেবেও কেউ উত্তরটা পেলো না।

No comments:
Post a Comment